পঙ্গপাল!
পঙ্গপাল! অনকেই হয়তো নাম শুনেছেন পঙ্গপাল। এটি আসলে একটি ঘাষ ফড়িং এর এক প্রজাতি। পঙ্গপাল সাধারনত দল বেধে ঝাকে ঝাকে থাকতে পছন্দ করে। পঙ্গপালকে ইংরেজিতে বলা হয় (Locust)
ঘাষ ফড়িং মূলত একা থাকতে পছন্দ করে। তাই তারা কৃষিতে তেমন ক্ষতি করে না। আর পঙ্গপাল দল বেধে থাকে তাই তারা কৃষি ও পরিবেশের অনেক ক্ষতি করে।
পঙ্গপালের দ্বারা মানব সভত্যার অনেক ক্ষতি শাধন হয়। পঙ্গপাল ধাক বেধে থাকতে পছন্দ করে। তারা একই দলে প্রায় ৩০-৪০ হাজার পঙ্গপাল থাকে এক ঝাকে। এর আগে পঙ্গপাল মানব সভত্যাকে বেশ বিপদের মুখে ফেলেছে বলে জানা গেছে।
'বাইবেল ও কোরআনে' উল্লেখ আছে পঙ্গপাল দ্বারা ফসল ধংস ও দূর্ভিক্ষের সৃষ্টি হয়েছিলো। পঙ্গপাল যখন একত্রে থাকেন তখন তারা প্রচুর পরিমানে বাচ্চা জন্ম দেই খুবই দ্রুত। যখন বাচ্চা গুলো বড় হতে শুরু করে তখন খাদ্যের অভাবে যাযবর হয়ে পড়েন। তখন তারা ফসলের মাঠে আক্রমন করেন। এতে করে মানুষের খাদ্য শস্য সংকটে পড়ে।
পঙ্কপাল খুবই ভয়ঙ্কর একটা কীটপতঙ্গ। পঙ্গপাল যখন দল বেধে কোন এলাকা দিয়ে যায় তখন সেই এলাকার আকাশে মনে হয় কালো মেঘের ঘন ঘটা। এক ঝাক পঙ্গপাল যদি একটা বড় গাছের উপর এসে বসে তাহলে গাছে পাতা গুলো খেতে তাদের ১০ মিনিটেরও কম সময় লাগবে।
১৯৯৩ সালে পাকিস্থানে ব্যাপক আকারে পঙ্গপাল আক্রমন করেছিলো। সেই সময় পাকিস্থানের অনেক খাদ্য শস্য নষ্ট করে দিয়েছিলো পঙ্গপাল। একটা সময় পঙ্গপালকে নির্মুল করেছিলো পাকিস্থান। গত কিছু দিন আগে পঙ্গ পাল আফ্রিকাতে আক্রমন করেছে ব্যাপক হারে। পরিস্থিতি সামলতে জাতিসংঘের কাছে ৭ কোটি ডলার অনুদান চেয়েছে।
বিষেশঙ্গরা বলেন, পঙ্গপাল আক্রমনের আসল কারন হলো জলবায়ু পরিবর্তন করা। আরো বলেন, পঙ্গপালের উৎপত্তি হয় ঘূর্নিঝড়ের থেকে। আর বিগত ১০ বছর ধরে ভারত সাগরে একের পর এক ঝড় বয়েই চলেছে।
পঙ্গপাল! অনকেই হয়তো নাম শুনেছেন পঙ্গপাল। এটি আসলে একটি ঘাষ ফড়িং এর এক প্রজাতি। পঙ্গপাল সাধারনত দল বেধে ঝাকে ঝাকে থাকতে পছন্দ করে। পঙ্গপালকে ইংরেজিতে বলা হয় (Locust)
ঘাষ ফড়িং মূলত একা থাকতে পছন্দ করে। তাই তারা কৃষিতে তেমন ক্ষতি করে না। আর পঙ্গপাল দল বেধে থাকে তাই তারা কৃষি ও পরিবেশের অনেক ক্ষতি করে।
পঙ্গপালের দ্বারা মানব সভত্যার অনেক ক্ষতি শাধন হয়। পঙ্গপাল ধাক বেধে থাকতে পছন্দ করে। তারা একই দলে প্রায় ৩০-৪০ হাজার পঙ্গপাল থাকে এক ঝাকে। এর আগে পঙ্গপাল মানব সভত্যাকে বেশ বিপদের মুখে ফেলেছে বলে জানা গেছে।
'বাইবেল ও কোরআনে' উল্লেখ আছে পঙ্গপাল দ্বারা ফসল ধংস ও দূর্ভিক্ষের সৃষ্টি হয়েছিলো। পঙ্গপাল যখন একত্রে থাকেন তখন তারা প্রচুর পরিমানে বাচ্চা জন্ম দেই খুবই দ্রুত। যখন বাচ্চা গুলো বড় হতে শুরু করে তখন খাদ্যের অভাবে যাযবর হয়ে পড়েন। তখন তারা ফসলের মাঠে আক্রমন করেন। এতে করে মানুষের খাদ্য শস্য সংকটে পড়ে।
পঙ্কপাল খুবই ভয়ঙ্কর একটা কীটপতঙ্গ। পঙ্গপাল যখন দল বেধে কোন এলাকা দিয়ে যায় তখন সেই এলাকার আকাশে মনে হয় কালো মেঘের ঘন ঘটা। এক ঝাক পঙ্গপাল যদি একটা বড় গাছের উপর এসে বসে তাহলে গাছে পাতা গুলো খেতে তাদের ১০ মিনিটেরও কম সময় লাগবে।
১৯৯৩ সালে পাকিস্থানে ব্যাপক আকারে পঙ্গপাল আক্রমন করেছিলো। সেই সময় পাকিস্থানের অনেক খাদ্য শস্য নষ্ট করে দিয়েছিলো পঙ্গপাল। একটা সময় পঙ্গপালকে নির্মুল করেছিলো পাকিস্থান। গত কিছু দিন আগে পঙ্গ পাল আফ্রিকাতে আক্রমন করেছে ব্যাপক হারে। পরিস্থিতি সামলতে জাতিসংঘের কাছে ৭ কোটি ডলার অনুদান চেয়েছে।
বিষেশঙ্গরা বলেন, পঙ্গপাল আক্রমনের আসল কারন হলো জলবায়ু পরিবর্তন করা। আরো বলেন, পঙ্গপালের উৎপত্তি হয় ঘূর্নিঝড়ের থেকে। আর বিগত ১০ বছর ধরে ভারত সাগরে একের পর এক ঝড় বয়েই চলেছে।

No comments:
Post a Comment