ডেঙ্গু কী? কিভাবে ছড়াই? কেনো হয় এই ভাইরাস! আজ আমরা জানবো ডেঙ্গুর সকল তথ্য।
ডেঙ্গু মূলত একটি ভাইরাস। এডিস নামক এক মশা এই ভাইরাস বহন করে থাকে। ভাইরাসটি গ্রীম্মকাল ও বর্ষাকালে হয়ে থাকে। যখন ডেঙ্গু বহনকারী মশা একজন মানুষকে কামড় দেই তখন তার, সেই মশার লালার সাথে মিশে থাকা ভাইরাস মানুষের শরীলে প্রবেশ করে। তার পর দিনে দিনে ভয়ঙ্কর রূপ নেই।
কিভাবে ডেঙ্গু শরীলে সমস্যা সৃষ্টি করেঃ
ভাইরাসটি যখন রক্তকোষ এ প্রবেশ করে এবং রক্তকোষ সারা শরীলে চলাচল করে তখন এটি সারা শরীলে ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়ার কারনে শরীলে ব্যাথা হয় আর জ্বর হয়।
ডেঙ্গু হলে শরীলে কী হয়:
সাধারনত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে জ্বর, পেট ব্যাথা, বমি পেশিতে রক্তক্ষরন, খাবারের রুচি কমে যাওয়ার মত সমস্যা দেখা দেই।
কবে থেকে পৃথিবীতে ডেঙ্গু হচ্ছে?
ইতিহাস থেকে জানা গেছে যে, ডেঙ্গু জ্বর প্রথম হয় জীন বংসের একজনের (২৬৫ থেকে ৪২০ খিষ্টাব্দের) ভিতরে। ১৭শ শতাব্দীর মহামারীর নমুনা থেকে পাওয়া গেছে। ডেঙ্গুর নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় ১৭৭৯ ও ১৭৮০ সালে। এই সময়ে ডেঙ্গু মহামারি হয়েছিলো এশিয়া, আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকা। তখন থেকে ডেঙ্গু মহামারি ১৯৪০ পর্যন্ত অনিয়মিত ভাবে হয়েই চলেছিলো।
ডেঙ্গু কাদের জন্য ভয়ঙ্কর:
শিশু, ছোট বাচ্চা, বয়স্ক ও মহিলারা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয় বেশি। শিশু ও বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কয় থাকার কারনে অনেকেই ডেঙ্গুতে মারা যায়। আর মহিলাদের ক্ষেত্রে ডাইবেটিস ও এ্যাজমা যাদের আছে তাদের জন্য ডেঙ্গু প্রানঘাতী।
ডেঙ্গুর জন্য আলাদা কোন মেডিসিন বা ভেকসিন এখনও তৈরি হয়নি। তাই একটু সতর্ক থাকলে এই প্রানঘাতী ভাইরাস থেকে বাচতে পারবো আমরা।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ:
আমাদের বাসস্থানের আশে পাশে টানি জমাট বাধতে দিব না। যেখানে জমাট বাধা পানি থাকে সেখান থেকেই এডিস মশা জন্ম নেই। এডিস মশা ও তার কামড়ের থেকে দূরে থাকতে পারলে, এই ভয়ঙ্কর ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা থেকে বলা হয়েছে, পানি জমাট বেধে থাকতে না দেওয়াই ডেঙ্গু নিয়ন্তর্নের সব থেকে বড় উপায়।
তথ্য "অনলাইন"

No comments:
Post a Comment