Breaking

Tuesday, 28 April 2020

কি কি কারনে রোজা নষ্ট হয়।

রোজা শব্দের অর্থ হচ্ছে বিরত থাকা।

সিয়াম বা রোজা প্রতেক মুসলমানের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা ফরয করেছেন।  সুবহে সাদেক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল পাপকাজ, পানাহার, কামাচার থেকে বিরত থাকায় হয় রোজা রাখা, সাথে পাচঁ ওয়াক্ত নামায তো আছেই। আল্লাহর বিধান অনুসারে প্রতেক প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিমের উপর রোজা রাখা ফরয।

কি কি কারনে রোজা নষ্ট হয়


রোজার তিনটি ফরযঃ

১, নিয়ত করা।
২, সকল পানাহার থেকে বিরত থাকা।
৩, যৌন আচরন থেকে বিরত থাকা।

রোজার রাখার ৪ টি শর্তঃ

১, মুসলমান হওয়া
২, বালেগ হওয়া (প্রাপবষস্ক)
৩, অক্ষম না হওয়া
৪, নারীদের ঋতুস্রাব হলে রোজা রাখা থেকে বিরত থাকা

রোজা ভঙ্গ হলে কী করবেনঃ

একটি রোজা ভঙ্গ হলে তার কাফফারা হিসেবে একাধারে ৬০ টি রোজা রাখতে হবে। যদি ৬০ টি রাখতে আবার একটা কাযা করেস তবে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।  ৬০ টি রোজা না রাখতে পারলে ৬০ জন মিসকিনকে ১ বেলা খাওয়ালে হবে।


কি কি কারনে রোজা ভেঙ্গে যায়ঃ

১, পানাহার ও ধূমপান
২, হস্তমৈথন
৩, সহবাস
৪, ইচ্ছাকৃত ভাবে বমি করলে
৫, শিঙ্গা লাগানো  (শরীল থেকে ১ কাপ পরিমান রক্ত বের হলে।)
৬, নারীদের মাসিক শুরু হলে


রোজা ভঙ্গ না হওয়ার কারন সমূহঃ

১, অনিচ্ছাকৃত গলাই ধুলা বালি প্রবেশ অথবা মশা মাছি প্রবেশ করলে।
২, অনিচ্ছাকৃত কানে পানি প্রবেশ করলে।
৩, বমি আসতে আসতে সেটা ফিরে গেলে।
৪, সুগন্ধী ব্যাবহার করলে।
৫, কোন কিছুর ঘ্রান নিলে।
৬, নিজের মুখের কফ, থুথু  গিলে ফেললে।
৭, গরমে শরীল ঠান্ডা করার জন্য গোসল করলে। (অতিরিক্ত পানি না থাকা, বেশি সময় পানিতে থাকলে শরীলের লোমকূপ দিয়ে পানি প্রবেশ করতে পারে)
৮, ঘুমের মধ্য স্বপ্নদোষ হলে।
৯, স্ত্রীকে চুম্মন করলে, বীর্যপাত না হলে।
১০, দাতের ফাকে অল্প পরিমান খাবার বেধে থাকলে গিলে ফেলর। (পরিমানে বেশি থাকলে রোজা ভঙ্গ হবে)
১১, ভুল করে কিছু খেয়ে ফেললে।
১২, শরীল ও মাথায় তেল ব্যাবহার করলে।
১৩, মিসওয়াকের সময় দাত থেকে রক্ত বের হলে।

(বিঃদঃ মহিলাদের মাসিক শুরু হলেই রোজা নষ্ট হয়ে যাবে, তাই কষ্ট করে সেই দিন রোজা না থেকে পানাহার করবেন)

No comments:

Post a Comment