Breaking

Thursday, 30 April 2020

শবে কদরের ফজিলত, নিয়ম, নিয়ত ও করনীয়

লাইলাতুল কদর বা শবে কদর মুসলমান দের জন্য একটি পবিত্র রাত। লাইলাতুল কদর শব্দের অর্থ পবিত্র রজনী বা অতিশয় সন্মানিত ও মহিমান্বিত রাত। আল্লাহ তায়ালার শেষ নবী রাসুলুল্লাহ  (সা) এর অনুসারিদের সন্মান বৃদ্ধি ও মানবজাতির ভাগ্য নিদ্ধারন করা হয়। তাই আমাদের কাছে এই রাত টা খুব গূরত্বপূর্ন রাত। এই রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের থেকে শেষ্ঠ।

শবে কদরের ফজিলত, নিয়ম, নিয়ত ও করনীয়
শবে কদরের ফজিলত, নিয়ম, নিয়ত ও করনীয়



শবে কদরের ইতিহাসঃ

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর নিকট সর্বপ্রথম কোরআন নাজিল করেন শবে কদরের রাতে। ৬১০ খিষ্টাব্দে মক্কার নূর পর্বতের হেরা গোহায় পরিত্র কোরানের প্রথম সূরা আলাক্কের প্রথম পাচঁ  আয়াত নাজিল করেন মহান আল্লাহ তায়ালা।

মুসলমানদের জন্য খুব গূরত্বপূর্ন রাত সম্পর্কে হাদিসে অনেক বর্ণনা আছে।  তাছাড়া পবিত্র কুরআনে সূরা কদর নামে একটি পূর্ন সূরা আছে, যেখানে এই রাত সম্পর্কে সব কিছু বর্ণনা করেছেন।

সূরা কদরের ৫ আয়াতের অর্থঃ

" নিশ্চয়ই আমি কোরআনে অবতীর্ন করেছি কদরের রাতে। আর কদরের রাত সম্পর্কে তুমি কী জানো? কদরের রাত হাজার মাসের থেকে শেষ্ঠ। সে রাতে ফেরেশতা ও রুহ অবতীর্ণ হয় প্রতেক কাজে তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে। এ রাতে শান্তি বিরাজ করে ভোরের সূর্যদয় পর্যন্ত।"

শবে কদরের সময়ঃ

২০ রমজানের পর যে কোন বিজোড় রাতে শবে কদর  হতে পারে। তবে ২৬ রোজার দিবাগত রাতে শবে কদর হয়ে থাকে বলেন অনেক আলেমগন।  বুখারি ও মুসলিম হাদিসে বর্নিত আছে, আয়েশা (রা) থেকে বর্নিত, রাসুলুল্লাহ (সঃ) রমজান মাসের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতেন। আর বলতেন শেষ দশ দিন শবে কদর সন্ধান করো।  আরেক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলের রমজানের শেষ ১০ দিনের বিজোড় রাতে শবে কদর সন্ধান করো।

শবে কদরের নামাযঃ

শবে কদরের রাতে ২ রাকায়াত করে যত বেশি পড়বেন তত কেশি সওয়াব পাবেন।  ২ রাকায়াত করে ১২ রাকায়াত নামায আদাই করা উত্তম। আরো যত বেশি পড়বেন তত বেশি সওয়াব পাবেন। প্রতি ৪ রাকায়াত পর পর তাসবিহ - তাহলীর  আদায় করে আল্লাহর নিকট দোয়া প্রর্থনা করতে হয়।  এভাবে সারা রাত নামায আদায় করা যায়। কোরআনও তেলোয়াত করতে পারেন। যত বেশি নফল ইবাদত করবেন তত সওয়াব পাবেন।

শবে কদরের নামাযের নিয়তঃ

আরবীতেঃ "নাওয়াইতুআন্ উছল্লিয়া লিল্লা-হি তা‘আ-লা- রাক‘আতাই ছালা-তি লাইলাতুল কদর-নাফলি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল্ কা‘বাতিশ্ শারীফাতি আল্লা-হু আকবার”।

বাংলাতেঃ আমি ক্বেবলামুখি হয়ে শবে কদরের দুই রাকায়াত  নফল নামাযের নিয়ত করছি - আল্লাহু-আকবার. 

আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন।
যদি কিছু জানার থাকে কমেন্ট করতে পারেন।

No comments:

Post a Comment